• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bay Of Bengal

দেশ

আকাশসীমা বন্ধ, জারি NOTAM! বড় অস্ত্র পরীক্ষার পথে ভারত?

আত্মনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ এগোচ্ছে ভারত। একই সঙ্গে দেশের সামরিক শক্তি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে এবার নতুন করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে ভারত। এই পরীক্ষাকে ঘিরে বঙ্গোপসাগরের একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় নোটিস টু এয়ারমেন বা NOTAM জারি করা হয়েছে। আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি এই নোটিস কার্যকর থাকবে। ওই সময়ে নির্দিষ্ট আকাশসীমায় সমস্ত ধরনের বেসামরিক বিমান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে।প্রতিরক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে, যে NOTAM জারি করা হয়েছে তার দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৫৩০ কিলোমিটার। এত বড় এলাকাজুড়ে আকাশসীমা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে জল্পনা তৈরি হয়েছে, এবার সম্ভবত একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চল দেখে অনুমান করা হচ্ছে যে এটি সমুদ্র-ভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হতে পারে। স্ট্র্যাটেজিক কিংবা হাইপারসনিক শ্রেণির কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও হতে পারে বলে ধারণা।তবে কোন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা হবে বা কোন প্ল্যাটফর্ম থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, সমুদ্রের উপর এই ধরনের বড় সামরিক পরীক্ষার আগে NOTAM জারি করা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর মূল উদ্দেশ্য হল পরীক্ষার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বেসামরিক বিমানকে ওই এলাকা থেকে দূরে রাখা।উল্লেখযোগ্যভাবে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসেও বঙ্গোপসাগরের উপর প্রায় ৩ হাজার ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে একই ধরনের NOTAM জারি করা হয়েছিল। তখনও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জল্পনা তৈরি হয়েছিল।NOTAM বা নোটিস টু এয়ারমেন এমন একটি বিজ্ঞপ্তি, যার মাধ্যমে সাময়িকভাবে কোনও আকাশসীমা বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হয়। অতীতেও পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনার সময় এই ধরনের নোটিস জারি করা হয়েছে, যাতে কোনও যাত্রীবাহী বিমান সামরিক কার্যকলাপের মধ্যে পড়ে না যায়। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় এবং বিমান বাহিনী নির্বিঘ্নে তাদের অভিযান বা পরীক্ষা চালাতে পারে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ৮ মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ এক

টানা ৩৬ ঘণ্টা লড়াই করেও শেষরক্ষা হল না। শুক্রবার মাঝ রাতে বঙ্গোপসাগরে টর্নেডোর মধ্যে পড়ে ডুবে গিয়েছিল মৎস্যজীবীদের একটি ট্রলার। শেষমেশ কাকদ্বীপের ডুবে যাওয়া ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার ৮ মৎস্যজীবীর দেহ। অন্যদিকে, নিরঞ্জন দাস নামে এখনও এক মৎস্যজীবী নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল।এফবি গোবিন্দ নামে ওই ট্রলারে মোট ৯ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। শুক্রবার দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন সকলেই। শনিবার সকালে খবর পেয়েই ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধারের জন্য কাকদ্বীপ থেকে রওনা দিয়েছিল বেশ কয়েকটি ট্রলার। অবশেষে অনেক সমস্যা, বাধা বিপত্তি কাটিয়ে রবিবার সকাল থেকে শুরু হয় উদ্ধারকাজ

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

রেমাল নামের অর্থ কি? কেন প্রক্রিয়ায় হয় এই নামকরণ?

ঘূর্ণিঝড়কে চিহ্নিত করার জন্য চালু হয়েছিল নামকরণের প্রথা। এই নামের সাহায্যে সাধারণ মানুষ ছাড়াও, বিজ্ঞানী, মিডিয়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত ব্যক্তিরাও ঘূর্ণিঝড়কে চিহ্নিত করতে পারে। নতুন নামই বুঝিয়ে দেয়, এটা আলাদা ঘূর্ণিঝড়। এব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে, প্রস্তুতি নিতে, বিভ্রান্তি দূর করতে নয়া নাম কাজে লাগে। কোনও অঞ্চলের সাইক্লোনিক সিস্টেমই হল ঘূর্ণিঝড়। বিশ্বের সমস্ত জায়গায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের একইভাবে নামকরণের রীতি চালু আছে।রেমাল নামের অর্থ কি? আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল রবিবার (২৬ মে) মধ্যরাতে পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপ এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে। চলতি বছরে বঙ্গোপসাগরে এটিই হবে প্রথম প্রাক-মৌসুমি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। আরবি ভাষায় রেমাল নামের অর্থ- বালি। নামকরণ করেছে ওমান। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের আদর্শ নিয়ম অনুসারে এই নাম বেছে নেওয়া হয়েছে।এবার ওমান কেন বেছে নিল?কিন্তু, ওমান কেন বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম বেছে নেবে? এই প্রশ্নও উঠেছে। আসলে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা- ডব্লিউএমও (WMO)-এর সদস্য ১৮৫টি দেশ। এটি রাষ্ট্রসংঘের সংস্থা। পাশাপাশি রয়েছে এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন-এসক্যাপ (ESCAP)। এই সংস্থা রাষ্ট্রসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের অধীনে থাকা একটি আঞ্চলিক কমিশন। যা এশিয়ায় অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধির জন্য তৈরি হয়েছে। ওমান যার সদস্য।ঘূর্ণিঝড়ের নাম আদৌ কেন?ঘূর্ণিঝড়ের নাম গ্রহণ করা মানুষের পক্ষে মনে রাখা সহজ, সংখ্যা এবং প্রযুক্তিগত পদের বিপরীতে। সাধারণ জনগণ ছাড়াও, বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়, মিডিয়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপক ইত্যাদিকেও এই নামকরণ সাহায্য করে। একটি নাম দিয়ে, এটি স্বতন্ত্র ঘূর্ণিঝড় শনাক্ত করা, এর উন্নয়ন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা, সম্প্রদায়ের প্রস্তুতি বাড়াতে এবং বিভ্রান্তি দূর করার জন্য দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচার করা সহজ।২০০০ সালে ওমানের মাস্কাটে অনুষ্ঠিত হয়, পিটিসির ২৭তম অধিবেশন। পিটিসি বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করতে রাজি হয়। প্যানেলের প্রতিটি দেশ তাদের সুপারিশ পাঠানোর পর, পিটিসি তার তালিকা তৈরি করে। আর, ২০০৪ সালে এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে। পিটিসি ২০১৮ সালে, ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইয়েমেনকেও তাদের সংগঠনভুক্ত করেছে। ২০২০ সালের এপ্রিলে, ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সদস্য ১৩টি দেশের প্রত্যেক সদস্য ১৩টি করে পরামর্শ দিয়েছিল। সেই তালিকা থেকেই বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হচ্ছে।কোন দেশে এই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে, বা আছড়ে পড়বে নামকরণের ক্ষেত্রে তা বিবেচনা করা হয় না। বরং, দেশগুলোর পরপর নাম অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে তা ব্যবহার করা হয়। যেমন, ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ-র নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ। আছড়ে পড়েছিল মহারাষ্ট্রে। ভারত নাম দিয়েছিল গতি। আছড়ে পড়েছিল সোমালিয়াতে। ইরান নাম দিয়েছিল নিভার। আছড়ে পড়েছিল তামিলনাড়ুতে।

মে ২৬, ২০২৪
রাজ্য

শিয়রে ঘূর্ণিঝড় 'অশনি', সংকেত মৌসম ভবনের

রবিবার সকালে মৌসম ভবন সুত্রে জানানো হয়েছে, গভীর বঙ্গোপসাগরে অশনি ঘূর্নীঝড়ের আকার নিলো। আন্দামানের অনতিদূরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। এই মুহুর্তে তার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটারের কাছাকাছি। এই ঘুর্নাবর্ত উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর বরাবর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে।অশনির সংকেত পেয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাও। মৌসম ভবন থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান করা জেলাগুলির জন্য ১০ থেকে ১৩ মে অবধি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।মৌসম ভবন সুত্রে আগেই জানানো হয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় অশনির পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাঁরা রবিবারও জানিয়েছে, এই মুহুর্তে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়টি পুরী থেকে প্রায় ১,০৩০ কিলোমিটার এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ৯৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার নাগাদ ওড়িশা কিংবা অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল ছুঁতে পারে ঘূর্ণিঝড় অশনি। পশ্চিমবঙ্গ বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর থেকে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঘূর্ণিঝড় অশনির আগাম সতর্কতা জারি করেছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে হওয়া বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া তে কৃষিজমি এবং ফসল নষ্টের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষকদের জন্য ছদফা সতর্কতা জারি করেছে। নবান্ন থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাঁরা যেনো পাকা ধান কেটে অতি সত্তর গুদামজাত করে রাখেন। এছাড়াও বিভিন্ন সব্জি ও ফসলের ক্ষেত থেকে অতি সত্তর জমা জল নিকাশী করে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

মে ০৮, ২০২২
দেশ

মার্চেই তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা, আছড়ে পড়তে পারে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট 'অশনী'

বসন্ত নিয়ে বাঙালির যতই রোম্যান্টিকতা থাকুক না কেন, প্রকৃতির কিন্তু সে দিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। রাতে অল্পস্বল্প ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। হওয়া অফিস বলছে, কলকাতা শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনই ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়ে যাওয়ার জোগাড়। অন্যদিকে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। গুজরাতের একাধিক অংশ ও পশ্চিম রাজস্থানে তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজস্থান, বিদর্ভ, কোঙ্কন ও গোয়াতেও তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। এরমধ্যে সৌরাষ্ট্র-কচ্ছে সপ্তাহজুড়ে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কোঙ্কন-গোয়াতেও তাপ প্রবাহ বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচলপ্রদেশ-সহ একাধিক জায়গাতেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি থাকবে।মার্চের শুরু থেকেই কাঠ-ফাটা গরমে হাসফাঁস করতে শুরু করেছেন দেশবাসী। একাধিক রাজ্যে শুরু হয়েছে তাপ প্রবাহ। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে চলেছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভারত মহাসাগর ও পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর উপকূলে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিনে এই নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হয়ে সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ১৯ মার্চ পর্যন্ত আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হতে পারে। আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। আন্দামান সাগরের উপর থেকে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপরে চলতি বছরের প্রথম নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। এর সরাসরি প্রভাব আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উপরই পড়বে। ঝোড়ো হাওয়া-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপ থেকে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেওয়া হয়েছে অশনী।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

অক্ষরেখার টানে বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্পের প্রভাবেই সকাল থেকে শুরু বৃষ্টি

আজও রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা। সকাল থেকেই পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকেই মেদিনীপুর, পুরুলিয়ায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শুক্রবার কলকাতা শহর দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলার যেমন মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। এদিন দুপুরের পর থেকে কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার করে বৃষ্টিপাত হবে। এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। একে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং সঙ্গে পূবালি হাওয়ার সংঘাত। তার জেরেই অসময়ে বৃষ্টি। শনিবার থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে, এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।মধ্য ভারত থেকে পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারত পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখাকেই দায়ী করছেন আবহবিদেরা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মিলিয়ে সকাল থেকে শহরের কিছু অংশে বৃষ্টি শুরুও হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই মহানগরীর আকাশের মুখ ভার। তবে, গত কয়েক দিনের মত ঘন কুয়াশার চাদর ছিল না। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং মালদহ, দুই দিনাজপুরে। দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই বর্ধমান, পুরুলিয়াতেও বৃষ্টি হতে পারে। কাল, শনিবার এবং তার পরের দিন, রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টি হতে পারে বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪ পরগনাতেও। আবহবিদদের বক্তব্য, অক্ষরেখার টানে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তা ঘনীভূত হয়ে তৈরি করতে পারে বজ্রগর্ভ মেঘ। তা থেকেই বৃষ্টি হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

Cyclone JAWAD: গভীর নিম্নচাপ হয়েই বাংলায় প্রবেশ জাওয়াদের

শনিবারই শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। রবিবার সকালে তা আরও শক্তিক্ষয় করে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার গতিবেগে ওডিশা উপকূলের দিকে এগিয়েছে। হাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী সোমবার ওডিশা উপকূল থেকে নিম্নচাপটি আরও উত্তরপূর্বে সরেছে। এবং ১০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা বেগে এগোচ্ছে। আগামী ছঘণ্টায় আরও শক্তি ক্ষয় করে নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হবে বাংলার উপকূল।যার জেরে রাত থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সোমবার সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। টানা বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক অঞ্চলে জল জমার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।হাওয়া অফিসের জানিয়েছে, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, বীরভূম, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রাজ্যের উপকূলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দুই ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে হাওয়ার গতি কমবে। মঙ্গলবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে বলেই জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Jawad: বাংলায় গভীর নিম্নচাপ হয়েই প্রবেশের সম্ভাবনা জাওয়াদের, জানাল হাওয়া অফিস

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ স্থলভাগের ঠিক কোথায় আছড়ে পড়বে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি হাওয়া অফিস। তবে, বাংলায় তা ঢুকতে পারে গভীর নিম্নচাপ হিসাবে। শনিবার সকালে হাওয়া অফিসের বুলেটিন অন্তত এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপাগরেই এখন অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়টি। গত ৬ ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়েছে সে। শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় মৌসম ভবনের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বিশাখাপত্তনম থেকে ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, পুরী থেকে ৪৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। ৫ ডিসেম্বর তা পুরী উপকূলে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। এর পর তা ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তার পরই তা ক্রমশ এগিয়ে আসতে পারে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায়। কিন্তু বাংলায় যখন আসবে, তখন তার শক্তি কতটা থাকবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এখনও অবধি মৌসম ভবন যা জানিয়েছে, তাতে গভীর নিম্নচাপ হয়েই জাওয়াদ-এর বঙ্গে ঢোকার সম্ভাবনা প্রবল।বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ঘণীভূত হওয়ার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ শনিবার সকাল থেকেই মেঘলা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষিপ্ত থেকে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে কলকাতায়। উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: আবার হাজির নিম্নচাপ, বাড়ছে তাপমাত্রা, হতে পারে বৃষ্টিও

ফের নিম্নচাপের ভ্রূকুটিতে রাজ্যে বাধা পড়ল শীতের আগমন। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার থেকে রোদ ঝলমলে আকাশ ঢাকতে পারে বিক্ষিপ্ত মেঘে। যে কারণে ফের বাড়তে পারে তাপমাত্রা। এমনকী রবিবার এবং সোমবার দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় বিক্ষিপ্ত থেতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। যদিও শনিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। আকাশও থাকবে পরিষ্কারই। তবে তাপমাত্রা বাড়ায় কমতে পারে শীতের অনুভূতি।গত সপ্তাহের শেষের দিকে তামিলনাড়ু উপকূলে ধেয়ে যাওয়া নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে ঢুকেছিল প্রচুর জলীয় বাস্প। তার জেরে আবহাওয়া ছিল মেঘলা। বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিও হয়েছিল। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে এ সপ্তাহেও। বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া সেই নিম্নচাপ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা। এর জেরেই প্রচুর জলীয় বাস্প ঢুকবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। তার জেরেই রবি এবং সোমবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। তবে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

নভেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Weather: দুর্যোগ চলবে দিনভর, লক্ষ্মীপুজোতেও রেহাই পাবে না দক্ষিণবঙ্গ

সোমবার রাতভর বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৪১.৭ মিলিমিটার। মঙ্গলবারও সারাদিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোতেও বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই নেই। বুধবারের পর থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীপুজোর আগেই আগুন সবজি থেকে ফল, ধরলেই লাগছে ছ্যাঁকাশুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি চলবে এই কদিন। মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।মঙ্গলবার কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর। অর্থাৎ এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। এই দুই জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। বুধবার কলকাতায় ভারী বৃষ্টি না হলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।বৃষ্টি ছাড়াও উপকূলের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওডিশার উপরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে শক্তিশালী পূবালি হাওয়া ঢুকছে রাজ্যে। ফলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

ফুঁসছে বঙ্গোপসাগর, দিঘার ৬২০ কিমি দূরে যশ

আরও এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড় যশ। মৌসম ভবনের বুলেটিন অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টায় দিঘা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এই ঘূর্ণিঝড়। যশ-এর প্রভাবে সোমবার বিকেল থেকেই রাজ্যের উপকূল এলাকায় ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় বইবে বলে জানা গিয়েছে।গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ২ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে যশ। ঘূর্ণিঝড় যত স্থলভাগের দিকে এগোবে তত তার গতিবেগ বাড়বে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় এই মুহূর্তে ১৬ ডিগ্রি ৪ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৯ ডিগ্রি ৬ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে। এই মুহূর্তে আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ৬২০ কিলোমিটার উত্তরে উত্তর-পশ্চিম, ওডিশার পারাদ্বীপ থেকে ৫৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব, ওডিশার বালেশ্বর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে যশ।মঙ্গলবার রাতের মধ্যে যশ শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর। বুধবার সকালের মধ্যে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশার স্থলভাগের কাছে পৌঁছনোর কথা যশ-এর। তার পর বুধবার সন্ধ্যায় অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে যশ ওডিশার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগরের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করবে বলেই পূর্বাভাস।

মে ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

গোড়ালি জলে শুটিং, তবু মৃত্যু! রাহুল কাণ্ডে নতুন রহস্য, মুখ খুললেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায়

একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন সামনে আসছে। শুটিং চলাকালীন আকস্মিক দুর্ঘটনায় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু এখনও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। তালসারির সমুদ্র সৈকতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বয়ান সামনে আসছে। এর মধ্যেই লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য নতুন করে রহস্য বাড়িয়েছে।তিনি জানিয়েছেন, যে দৃশ্যের শুটিং হচ্ছিল, তাতে গভীর জলে যাওয়ার কোনও প্রয়োজনই ছিল না। শুধু গোড়ালি পর্যন্ত জলে হাঁটার একটি দৃশ্য ছিল। সেই জায়গা থেকে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কেন রাহুল সমুদ্রের দিকে আরও এগিয়ে গেলেন।একই কথা বলেছেন ধারাবাহিকের কার্যনির্বাহী প্রযোজক শান্তনু নন্দীও। তিনি যদিও দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তবে ইউনিটের কাছ থেকে যা জেনেছেন, তা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, মূল শুটিং প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। শুধু একটি ড্রোনে তোলা দৃশ্য বাকি ছিল। সেই দৃশ্যও খুব অল্প জলে হওয়ার কথা ছিল।তিনি জানান, শুটিংয়ের সময় রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রী একটু একটু করে সামনে এগোচ্ছিলেন। ইউনিটের তরফ থেকে তাঁদের বারবার বলা হচ্ছিল, আর এগোতে না। ঠিক সেই সময় হঠাৎ একটি বড় ঢেউ এসে পড়ে। ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই জলে পড়ে যান।এরপরই ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শ্বেতাকে দ্রুত টেনে তোলা হলেও রাহুল কিছুটা বেশি দূরে চলে গিয়েছিলেন। পরে নিরাপত্তা নৌকায় থাকা কয়েকজন জলে নেমে দড়ির সাহায্যে তাঁকে উদ্ধার করেন।তাঁর কথায়, পাড়ে তোলার পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শরীর থেকে জল বের করার চেষ্টা করা হয় এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় পর্যন্ত নাকি রাহুলের জ্ঞান ছিল এবং তিনি কথা বলছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।এই সব ভিন্ন ভিন্ন বয়ান মিলিয়ে পুরো ঘটনাকে ঘিরে ধোঁয়াশা আরও ঘন হচ্ছে। এখন সকলের একটাই প্রশ্ন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

জল থেকে তোলার পরও কি বেঁচে ছিলেন রাহুল? প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে নতুন চাঞ্চল্য

রবিবার ওড়িশার তালসারিতে শুটিং চলাকালীন কীভাবে জলে ডুবে মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। দুর্ঘটনার পর তাঁকে জল থেকে তোলার সময় তাঁর শরীরে প্রাণ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই পরিস্থিতিতে সামনে এল এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান, যা নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।অভিনেতার গাড়িচালক বাবলু দাস, যিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তিনি জানিয়েছেন সেই দিনের কথা। তিনি বলেন, রবিবার ভোর থেকেই তালসারির সমুদ্র সৈকতে ধারাবাহিকের শুটিং শুরু হয়েছিল। বিকেলের দিকে যখন দুর্ঘটনা ঘটে, তখন শুটিং প্রায় শেষের পথে। তাঁর কথায়, সেটাই ছিল শেষ দৃশ্যের শুটিং।বাবলুর দাবি, জল থেকে তোলার পর রাহুলকে সমুদ্রের ধারে আনা হয় এবং তাঁর শরীরে ঢুকে যাওয়া জল বের করার চেষ্টা করা হয়। কিছুটা জল বেরিয়েও আসে। সেই সময় নাকি তাঁর শ্বাস চলছিল বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।তিনি আরও জানান, শুটিংয়ের প্রোডাকশন ইউনিটের সদস্যরাই দ্রুত জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাহুল এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রীকে উদ্ধার করেন। তবে কেন শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো গেল না, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে একাধিক তত্ত্ব সামনে আসছে। প্রত্যক্ষদর্শীর এই বয়ান নতুন করে সেই ধোঁয়াশা আরও বাড়িয়ে দিল। এখন সকলেই জানতে চাইছেন, ঠিক কীভাবে ঘটল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিদেশ

‘আমরা রাজা চাই না’—ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাস্তায় লাখো মানুষ, আমেরিকাজুড়ে বিস্ফোরক বিক্ষোভ

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও রাস্তায় নামলেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শহরে একসঙ্গে উঠল নো কিংস স্লোগান। অর্থাৎ, কেউ রাজা নয়এই বার্তাই তুলে ধরলেন বিক্ষোভকারীরা। ট্রাম্পের একাধিক নীতির বিরোধিতা করে এই আন্দোলনে অংশ নিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।শনিবার আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, দেশের পঞ্চাশটি প্রদেশে তিন হাজারেরও বেশি কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছিল। সবচেয়ে বড় জমায়েত দেখা যায় মিনেসোটায়। সেখানে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মিছিল করেন। গান, স্লোগান এবং প্ল্যাকার্ডে মুখর হয়ে ওঠে রাস্তা।এই বিক্ষোভ শুধু বড় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোর মতো বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও ছড়িয়ে পড়ে এই আন্দোলন। সর্বত্রই মানুষের ঢল নামে রাস্তায়।বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল নো কিংস লেখা প্ল্যাকার্ড। অনেকেই উল্টো করে আমেরিকার পতাকা ধরেছিলেন, যা বিপদের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। কেউ কেউ ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে নানা ধরনের পোস্টারও তুলে ধরেন। কোথাও কেউ নিজেকে ব্যাঙের রাজা সাজিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, আবার কেউ ট্রাম্পকে শিশুর মতো রূপ দিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন।এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গত বছরের জুন মাসে। ট্রাম্পের একাধিক নীতিকে স্বৈরাচারী বলে অভিযোগ করেন নাগরিকরা। বিশেষ করে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেন এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হল, তার ব্যাখ্যা দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।এর আগে জুন এবং অক্টোবর মাসে দুদফা বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়েও বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। প্রথম দফায় প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফায় প্রায় সত্তর লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। এবার সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।পুরো পরিস্থিতি এখন আমেরিকার রাজনৈতিক পরিবেশকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ আগামী দিনে কী প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই বড় ধাক্কা! ইডির জিজ্ঞাসাবাদে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার

ভোটের প্রচারের মধ্যেই ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়লেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক এবং তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করতে গিয়েই তাঁর নাম সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত শনিবার বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই শীর্ষ কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই নথিতেই দেবাশিস কুমারের নাম উঠে আসে বলে সূত্রের খবর।এরপরই তাঁকে তলব করা হয়। আজ দুপুরে সল্টলেকে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থা জানতে চাইছে, ওই সংস্থার সঙ্গে তাঁর কীভাবে যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, সেই বিষয়েও প্রশ্ন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, বেঙ্গল এনার্জি সংস্থা একাধিক জায়গায় বিতর্কিত জমি কিনেছিল। পরে সেই জমি অন্যদের কাছে বিক্রি করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এই মামলার তদন্তে নাম উঠে আসায় দেবাশিস কুমারের সঙ্গে ওই সংস্থার কর্তাদের সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য লেনদেন নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহেই এই জিজ্ঞাসাবাদ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে সোজা শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হবে রাহুলের দেব! কী জানালেন প্রিয়াঙ্কা

ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর অভিনেতা রাহুলের দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শববাহী গাড়ি। সোমবার দুপুরে তমলুকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়। তারপরই তাঁর দেহ নিয়ে রওনা দেন গাড়িচালক, ধারাবাহিকের প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং অন্যান্য সহকর্মীরা। শেষবারের মতো তাঁকে তাঁর কলকাতার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।তমলুক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে, জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর ফুসফুসে অস্বাভাবিক পরিমাণে বালি এবং নোনাজল পাওয়া গিয়েছে। শুধু ফুসফুস নয়, খাদ্যনালি, শ্বাসনালি এবং পাকস্থলীতেও বালি ঢুকে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ফুসফুস ফুলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।চিকিৎসকদের অনুমান, খুব অল্প সময় নয়, বরং বেশ কিছুক্ষণ জলের নিচে থাকলে এই ধরনের অবস্থা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অন্তত এক ঘণ্টা জলের নিচে ছিলেন অভিনেতা। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিকে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারের ইচ্ছে, বাড়ি থেকে সরাসরি কেওড়াতলা মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হোক রাহুলের দেহ। সেই কারণে ভোলা বসু ভবনে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, হয়তো সরাসরি মহাশ্মশানেই নিয়ে যাওয়া হবে।সমাজমাধ্যমে রাহুলের বন্ধু এবং নাট্যপরিচালক জয়রাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর দেহ নিয়ে কলকাতায় ফিরছেন তাঁরা। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন ঘনিষ্ঠ। দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিজয়গড়ের বাড়িতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে। সেখানে শেষবারের মতো তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হতে পারে, তবে তা নিয়েও এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।

মার্চ ৩০, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহ? পাশকুড়া থেকেই কড়া বার্তা মমতার—‘এভাবে বিরোধিতা মেনে নেওয়া হবে না’

প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একাধিক জায়গায় ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে সামাল দিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশকুড়ায় এক সভা থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, টিকিট না পেয়ে বিরোধিতা করা একেবারেই ঠিক নয়।মমতা বলেন, অনেক জায়গায় আগের প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর কথায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন দরকার। নতুনদের সুযোগ দিতে হবে। মহিলাদের সুযোগ দিতে হবে, সংখ্যালঘুদেরও জায়গা দিতে হবে। কেউ যদি ভাবেন, সবসময় একাই থাকবেন, তা ভুল। দল সবার জন্য, সবাইকে নিয়েই চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, যারা ভাল কাজ করবেন, তারাই সুযোগ পাবেন। কিন্তু কাজ না করলে দলকে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। তাই শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।সংখ্যালঘু প্রার্থী নিয়ে কিছু জায়গায় যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়েও কথা বলেন মমতা। তিনি জানান, কোনও ভেদাভেদ নেই। কোনও প্রার্থীকে শুধু ধর্ম দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, কেউ যেন না ভাবে কোনও প্রার্থী শুধুমাত্র মুসলমান বলেই তাঁকে আলাদা করে দেখা হবে। তাঁর কথায়, তিনি যদি দলের নেতা হন, তবে তাঁর কাছে সব ধর্মের মানুষ সমান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনওদিন কি মুসলমানরা তাঁকে ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়ে বলে প্রশ্ন তুলেছে? যদি না তুলে থাকে, তাহলে সংখ্যালঘু প্রার্থী হলে হিন্দুরা মুখ ফিরিয়ে নেবেন কেন? এতে তাঁরই অসম্মান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিটি আসনই তাঁর কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দলের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। গত সতেরোই মার্চ তালিকা ঘোষণার পর এই ক্ষোভ সামনে আসে। এবার প্রায় চুয়াত্তর জন বর্তমান বিধায়ককে বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেক জায়গায় তাঁদের অনুগামীরা প্রতিবাদে নেমেছেন। কোথাও কোথাও নতুন মুখ বা তরুণ প্রার্থী দেওয়ায় পুরনো নেতারা অসন্তুষ্ট। আবার কিছু ক্ষেত্রে অন্য এলাকা থেকে প্রার্থী দেওয়ায় বহিরাগত অভিযোগ উঠছে।এর আগেও একই ছবি দেখা গেছে মুর্শিদাবাদের নওদায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার আগে বিক্ষোভ শুরু হয়। ব্লক সভাপতিকে প্রার্থী না করায় তাঁর সমর্থকেরা ক্ষোভ দেখান। চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে সভামঞ্চ থেকেই বিক্ষোভকারীদের কড়া সতর্কবার্তা দেন অভিষেক। তিনি বলেন, কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করে দলকে চাপে ফেলতে চান, তাহলে দল তা মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, এই বিষয়ে তাঁর কড়া নজর রয়েছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে নেতৃত্বের বার্তা স্পষ্ট, সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতেই হবে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

ফুলে ঢাকা দেহ ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ল বিজয়গড়! শেষবারের মতো ‘বাবিন’কে দেখে স্তব্ধ পাড়া

গোটা বিজয়গড় এখন শোকে স্তব্ধ। চারদিকে শুধু কান্নার শব্দ। কেউই যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাঁদের প্রিয় বাবিন আর নেই। এমন দৃশ্য যে দেখতে হবে, তা কোনওদিন কল্পনাও করেননি পাড়ার মানুষ। গত রাত থেকেই ভারী হয়ে ছিল পরিবেশ। আজ সেই নীরবতা ভেঙে চারদিকে শুধুই শোক আর আর্তনাদ।আজ সকালে রাহুলের নিথর দেহ ফিরল তাঁর নিজের বাড়িতে। ফুল দিয়ে সাজানো শববাহী গাড়িতে করে নিজের পাড়ায় ফিরে এলেন তিনি। জীবনের মঞ্চে যিনি নায়ক ছিলেন, তিনি আজ নীরব হয়ে শুয়ে রইলেন সবার সামনে।সকাল থেকেই রাহুলের বাড়িতে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুরাগীরা। একে একে পৌঁছে যান তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, সহকর্মী এবং টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, উষসী চক্রবর্তী, রূপাঞ্জনা মৈত্র, চৈতী ঘোষাল, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, রুকমা রায়ের মতো অনেকেই এসে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সকলের চোখে জল, মুখে একটাই কথাএভাবে বিদায় জানাতে হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি।রবিবার আচমকা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকে ডুবে যায় টলিউড। ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে সবার সামনে তিনি জলে তলিয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে সবাই।ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এখনও সরকারি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, তাঁর ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে নোনাজল ঢুকে গিয়েছিল। সেই সঙ্গে বালিও ঢুকে যায় শরীরে। এর ফলে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এই কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।পুরো ঘটনাকে ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবার, বন্ধু এবং অনুরাগীরা উত্তর খুঁজছেন, কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল। শোকের মধ্যেই এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে সবার মনে।

মার্চ ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

তালসারির শান্ত সমুদ্রে কীভাবে ডুবে মৃত্যু রাহুলের? অনুমতি ছাড়াই শুটিং, উঠছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন

রবিবার, ২৯ মার্চ ওড়িশার তালসারি সমুদ্র সৈকতে শুটিং চলাকালীন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল অভিনেতা রাহুলের। একটি ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়েই এই বিপর্যয় ঘটে। সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।জানা গিয়েছে, ভোলে বাবা পার করবে ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল তালসারিতে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই শুটিংয়ের জন্য আগে থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি সমুদ্রে নেমে শুটিং করারও কোনও অনুমোদন ছিল না। পুলিশের দাবি, প্রোডাকশন টিম এই বিষয়ে প্রশাসনকে কিছুই জানায়নি।পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনাটি বিকেল প্রায় পাঁচটা তিরিশ মিনিট নাগাদ ঘটে। শুটিং চলাকালীন রাহুল ও তাঁর সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা মিশ্র হাঁটু সমান জলে নাচছিলেন। হঠাৎই তারা একটি গভীর গর্তে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে দিঘার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু রাহুলকে বাঁচানো যায়নি।এই ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে। ইউনিটের দাবি, খুব অল্প জলে শুটিং হচ্ছিল। কিন্তু সেই অবস্থায় কীভাবে এমন বিপদ হল, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, তালসারি সৈকতে চোরাবালির মতো বিপজ্জনক অংশ রয়েছে। অনেকের অনুমান, সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা জানিয়েছেন, তিনিও জলে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কোনওভাবে তীরে ফিরে আসতে সক্ষম হন। অন্যদিকে, রাহুল ভেসে যান। কেন তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করা গেল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।ঘটনাকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনাও সামনে এসেছে। শুটিংয়ের ম্যানেজার দাবি করেছেন, কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরিচালক জানিয়েছেন, তখনও কিছু দৃশ্যের শুটিং বাকি ছিল। এই পরিস্থিতিতে রাহুল কীভাবে সমুদ্রে এগিয়ে গেলেন, তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত বড় শুটিং ইউনিট থাকা সত্ত্বেও কেন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। লাইফগার্ড বা জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে সমুদ্রের ধারে শুটিং চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।আজ তমলুক মেডিক্যাল কলেজে রাহুলের দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। এরপর তাঁর দেহ কলকাতায় আনা হবে। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ এবং পুরো বিষয়টি ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal